Read Your Solution Of IT

You can learn Graphics right HERE

ad

Hot

Post Top Ad

Tuesday, August 30, 2016

ইসলামিক জীবন

1:14 AM 0

নারী ও শিশুর হজের বিধান

শাঈখ মুহাম্মাদ উছমান গনী | আপডেট: | প্রিন্ট সংস্করণ
মসজিদে নববিতে পুরুষ-মহিলা একত্রে থাকতে পারবেন না। নারীদের বসার, নামাজের ও ইবাদতের জন্য স্বতন্ত্র ব্যবস্থা আছে। মক্কা মুকাররমায় কাবা শরিফে পুরুষ-নারী একত্রে  থাকতে বা একত্রে বসতে অসুবিধা নেই। কিন্তু নামাজের আগে নারীদের উঠিয়ে দিয়ে তাঁদের জন্য সংরক্ষিত স্থানে পাঠিয়ে দেওয়া হয়। ততক্ষণে নারীদের জন্য সংরক্ষিত স্থান পূর্ণ হয়ে যাওয়ায় নারীদের নামাজে অংশগ্রহণ করতে বিশেষ অসুবিধা হয়ে   থাকে। সে জন্য আগে থেকেই নারীরা তাঁদের নির্দিষ্ট স্থানে বসার চেষ্টা করবেন।
হায়েজ ও নেফাস অবস্থায় করণীয়
হায়েজ (ঋতুস্রাব) ও নেফাসের (প্রসবোত্তর স্রাব)সময় মসজিদুল হারাম শরিফে প্রবেশ ও তাওয়াফ করা যায় না, নামাজ পড়তে বা কোরআন শরিফ তিলাওয়াত করতে পারবেন না এবং উচ্চ স্বরে তালবিয়া পড়বেন না। কিন্তু ইহরাম বাঁধা ও অন্যান্য দোয়া পড়া যায়। হায়েজ ও নেফাসের সময় তাওয়াফে কুদুম না করতে পারলে তা মাফ হয়ে যাবে, কিন্তু হজের পর একটা ওমরাহ করতে হবে। হায়েজ ও নেফাসের সময় অকুফে আরাফাত ও অকুফে মুজদালিফা করতে পারবেন, কঙ্কর মারতে পারবেন, কিন্তু তাওয়াফে জিয়ারত হায়েজের পরে করবেন। ফরজ তাওয়াফ মাফ নেই। অবশ্য বিদায়ী তাওয়াফ হায়েজ ও নেফাসের ওজরে না করতে পারলে এবং সময় না পেলে এর জন্য কাফফারা দিতে হবে না; দূর থেকে বিদায় নেওয়া যাবে। কোনো নারী ইচ্ছা করলে হজের কার্যাবলি সম্পাদনের সুবিধার্থে হজ চলাকালীন ওষুধ বা বড়ি খেয়ে সাময়িকভাবে মাসিক বন্ধ রাখতে পারেন।
শিশুদের হজ
ইসলামি শরিয়তের পরিভাষায় শিশু বলতে বোঝানো হয় অপ্রাপ্তবয়স্ক তথা নাবালক অর্থাৎ যে সাবালকত্ব অর্জন করেনি। বাংলাদেশের পরিবেশে মেয়েশিশুরা ১১ থেকে ১২ বছরে এবং ছেলেশিশুরা ১৩ থেকে ১৪ বছরে সাবালক হয়। এই সময়ে তাদের শারীরিক ও মানসিক পরিবর্তন ঘটে, কণ্ঠস্বর পরিবর্তন হয়। এসব পরিবর্তন বিজ্ঞ অভিভাবক বুঝতে পারেন। অপ্রাপ্তবয়স্ক ছেলেমেয়েদের ওপর হজ ফরজ নয়। তবে কেউ  হজ করলে তার নফল হজ আদায় হবে। হজ আদায়কালে ছেলেশিশুদের পুরুষদের মতো ইহরাম পরতে হবে, মেয়েশিশুরা নারীদের মতো স্বাভাবিক পোশাকেই ইহরামের নিয়ত করবে। নিয়ত তালবিয়া ইত্যাদি বলতে না পারলে অভিভাবক তার পক্ষ থেকে আদায় করবেন। আর যদি সে নিজে হজের কার্যাদি পালনে সক্ষম হয়, তো নিজেই করবে। নাবালক ছেলেমেয়েরা ইহরাম অবস্থায় কোনো নিষিদ্ধ কাজ করলে তার কাফ্ফারা দিতে হবে না। শিশুদের হজের কোনো ফরজ ছুটে গেলে বা বাকি থাকলে এই হজ কাজা করতে হবে না। শিশুকালে হজ করলে বড় হওয়ার পর যদি হজ ফরজ হয়, তবে পুনরায় হজ আদায় করতে হবে।
হিজড়াদের হজ ও ইবাদত
মহান আল্লাহর সৃষ্টির সেরা হলো মানুষ। মানুষকে আল্লাহ সৃষ্টি করেছেন নারী ও পুরুষরূপে। মানব সৃষ্টির এই রহস্য সম্পর্কে মহাগ্রন্থ আল-কোরআনে বলা হয়েছে: হে মানবজাতি! তোমরা তোমাদের রবকে ভয় করো, যিনি তোমাদের সৃষ্টি করেছেন এক সত্তা (আদম) থেকে; আর তা থেকে তৈরি করলেন তাঁর জোড়া (হাওয়া) এবং এতদ্বয় থেকে বিস্তৃত করলেন বহু পুরুষ ও নারী। (সুরা নিসা, আয়াত: ১)। পবিত্র তিনি, যিনি সৃজন করেছেন সবকিছু জোড়ায় জোড়ায়, যা ভূমিতে উৎপন্ন হয় এবং তোমাদের নিজেদের মাঝেও, আর তাতেও যা তোমরা জানো না। (সুরা ইয়াসিন, আয়াত: ৩৬)। আর যিনি বানিয়েছেন সবকিছু জোড়ায় জোড়ায়। (সুরা জুখরুফ, আয়াত: ১২)। আর নিশ্চয় তিনি সৃষ্টি করেছেন জোড়ায় জোড়ায় পুরুষ ও নারী। (সুরা নজম, আয়াত: ৪৫)। হে মানবজাতি! নিশ্চয় আমি তোমাদের সৃষ্টি করেছি একজন পুরুষ ও একজন নারী থেকে। (সুরা হুজুরাত, আয়াত: ১৩)। আর আমি বানিয়েছি তোমাদের জোড়ায় জোড়ায় (পুরুষ ও নারী)। (সুরা নাবা, আয়াত: ৮)। আর তিনি সৃষ্টি করেছেন জোড়ায় জোড়ায় পুরুষ ও নারী। (সুরা নজম, আয়াত: ৪৫)। অতঃপর তিনি করলেন তা হতে জোড়ায় জোড়ায় পুরুষ ও নারী। (সুরা কিয়ামাহ, আয়াত: ৩৯)। আর যা তিনি সৃষ্টি করেছেন পুরুষ ও নারী। (সুরা লাইল, আয়াত: ৩)। আসমান ও জমিনের রাজত্ব আল্লাহর জন্যই, তিনি যা ইচ্ছা সৃজন করেন; যাকে ইচ্ছা কন্যাসন্তান দান করেন, যাকে ইচ্ছা পুত্রসন্তান দান করেন। অথবা পুরুষ ও নারীতে দম্পতি তৈরি করেন আর যাকে ইচ্ছা নিঃসন্তান রাখেন; নিশ্চয় তিনি মহাজ্ঞানী ক্ষমতাবান। (সুরা শুরা, আয়াত: ৪৯-৫০)।
হাদিস শরিফে বলা হয়েছে, রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, তোমরা এদের হিজড়া বোলো না; এরা নারী বা পুরুষ। ফকিহগণ হিজড়াকে দুই ভাগে বিভাজিত করেছেন; যথা: নারী হিজড়া ও পুরুষ হিজড়া। অর্থাৎ পুরুষ হিজড়া হলো অপূর্ণ পুরুষ আর নারী হিজড়া হলো অপূর্ণ নারী। ইমান, ইসলাম, নামাজ, রোজা, হজ, জাকাত এমনকি বিয়েসহ সব ইসলামি বিধিবিধান তাদের ওপর (নারী বা পুরুষ হিসেবেই) বর্তাবে।
হিজড়া হলো মনোদৈহিক বৈকল্য বা শারীরবৃত্তীয় ও মনোজাগতিক বিকাশের অপূর্ণতা। এটি হরমোনঘটিত একটি সমস্যা। শরীরের যে হরমোনের কারণে একজন মানুষ পুরুষ বা নারী বৈশিষ্ট্যের অধিকারী হয়, সেই হরমোন পর্যাপ্ত পরিমাণে না থাকাই এর প্রধান কারণ। সুতরাং অত্যাধুনিক হরমোন চিকিৎসার মাধ্যমে এবং ক্ষেত্রবিশেষে শল্যচিকিত্সার মাধ্যমে এর পুরোপুরি স্থায়ী সমাধান সম্ভব। (রদ্দদুল মুহতার দুররুল মুখতার, ইবনু আবিদীন শামী; মানারুছ ছাবীল, খণ্ড-২, পৃষ্ঠা: ৯১)।
নারী হিজড়ারা সাধারণ নারীদের মতো এবং পুরুষ হিজড়ারা সাধারণ পুরুষের মতো হজব্রত পালন করতে পারবেন। হজ আদায়কালে ছেলে হিজড়াদের পুরুষদের মতো ইহরাম পরতে হবে এবং মেয়ে হিজড়া নারীদের মতো পোশাকেই ইহরামের নিয়ত করবেন। (আশ শারহুল মুমাত্তি, খণ্ড: ৪, পৃষ্ঠা: ১৪০; শারহুল মুনতাহা, খণ্ড: ১, পৃষ্ঠা: ১৫০; আল ইখতিয়ার, খণ্ড: ৩, পৃষ্ঠা: ৩৯; আল মুগনি, খণ্ড: ৭, পৃষ্ঠা: ৬১৯; ফিকাহ বিশ্বকোষ, খণ্ড: ৬, পৃষ্ঠা: ২০৪)।
মুফতি মাওলানা শাঈখ মুহাম্মাদ উছমান গনী: যুগ্ম মহাসচিব, বাংলাদেশ জাতীয় ইমাম সমিতি, সহকারী অধ্যাপক, আহ্ছানিয়া ইনস্টিটিউট অব সুফিজম
smusmangonee@gmail.com
https://web.facebook.com/yousuf7181/
Read More

নেটের গতি ধরে রাখুন

12:42 AM 0

নেটের গতি ধরে রাখুন

মহিউদ্দিন সোহেল | আপডেট: | প্রিন্ট সংস্করণ


কিছু কৌশল খাটালে স্মার্ট ফোনে ইন্টারনেটের গতি ঠিক রাখা সম্ভব। মডেল: মাহি, ছবি: কবির হোসেনঈদের ছুটিতে বাড়ি যাবেন অনেকেই। ঢাকা এবং ঢাকার বাইরে অন্য শহর বা গ্রামে ইন্টারনেটের গতি এক নয়। তা সে মোবাইল ফোনেই হোক বা ল্যাপটপে, ট্যাবে।
কিছু কৌশল জানা থাকলে অনেক ক্ষেত্রেই ইন্টারনেটের গতি একটু হলেও বাড়ানো যায়।
১ ইন্টারনেট সংযোগ পরীক্ষা করুন
ইন্টারনেটের গতি পরীক্ষা করার অ্যাপ যেমন স্পিডটেস্ট ব্যবহার করে দেখে নিতে পারেন বর্তমান ইন্টারনেটের গতির অবস্থা। গতি অনেকটা নির্ভর করে বেশি ব্যবহার, পিক আওয়ারে ব্যবহার, নেটওয়ার্ক এবং কী ধরনের ইন্টারনেট সংযোগ (ডেটা প্ল্যান) নিয়েছেন তার ওপর। ওয়াই-ফাই বা মোবাইল নেটওয়ার্ক, যেটাই ব্যবহার করেন না কেন দেখতে হবে এর সিগন্যাল ঠিকমতো পাচ্ছেন কি না।
ফোন ক্যাশ পরিষ্কার করুন
আপনার ফোনের মেমোরি ও ক্যাশ মেমোরি পরিষ্কার করেও মোবাইল ইন্টারনেটের গতি বাড়াতে পারেন। ফোনের মেমোরির পরিবর্তে এসডি কার্ড বা অনলাইনে ড্রপবক্স, গুগল ড্রাইভের মতো সেবা ব্যবহার করতে পারেন। মোবাইলের ক্যাশ মেমোরি যখন ভরা থাকে, যন্ত্রটিও তখন ধীরগতির হয়ে যায়, আর এ জন্য ইন্টারনেটের গতিও কমে যায়।
৩ অব্যবহৃত অ্যাপ ফেলে দিন
অনেক অব্যবহৃত অ্যাপ ফোনের কর্মক্ষমতা কমিয়ে ফেলে, যা ইন্টারনেটের গতির ওপর প্রভাব ফেলে। তাই অব্যবহৃত অ্যাপ্লিকেশন ফেলে দিন (আনইনস্টল)।
৪ সঠিক নেটওয়ার্ক
টুজি নেটওয়ার্কের পরিবর্তে থ্রিজি নেটওয়ার্ক ব্যবহার করুন। এতে গতি বাড়বে।
৫ নেটওয়ার্ক সেটিংস
আপনার ফোনের নেটওয়ার্ক সেটিংসে গিয়ে দেখুন সঠিক নেটওয়ার্কে যুক্ত আছে কি না। এটি শুধু টুজি বা থ্রিজির নেটওয়ার্কের সঙ্গে সীমাবদ্ধ নয়। অনেক মোবাইলের ক্ষেত্রে নেটওয়ার্ক স্বয়ংক্রিয়ভাবে GSM/WCDMA/LTE নির্ধারিত হয়। যদি স্বয়ংক্রিয়ভাবে নির্ধারণ না হয় তাহলে ম্যানুয়ালি নেটওয়ার্ক নির্বাচন করুন। আপনি যদি থ্রিজি ব্যবহারকারী হন তাহলে নেটওয়ার্ক টাইপ WCDMA বা 3G রাখুন।
৬ ব্রাউজার টেক্সট মোডে রাখুন
আপনার ছবির প্রয়োজন না হলে ব্রাউজার টেক্সট মোড হিসেবে রাখতে পারেন।
৭ ফাস্ট ওয়েব ব্রাউজার
ইন্টারনেটের ভালো গতির জন্য ফাস্ট ওয়েব ব্রাউজার যেমন: অপেরা মিনি, ইউসি বা ক্রোম ব্রাউজার ব্যবহার করতে পারেন এবং নিয়মিত হালনাগাদ করুন।
৮ স্পিড বুস্ট অ্যাপ ব্যবহার করুন
ইন্টারনেটের গতি বাড়ানোর জন্য কিছু অ্যাপ ব্যবহার করতে পারেন যেমন: ইন্টারনেট বুস্টার অ্যান্ড অপটিমাইজার, ফাস্টার ইন্টারনেট ২এক্স, ইন্টারনেট স্পিড বুস্টার ইত্যাদি।
৯ অটো সিঙ্ক বন্ধ করুন
কিছু অ্যাপ যেমন ই-মেইল স্বয়ংক্রিয়ভাবে সিংক হতে থাকে, এসব অ্যাপের অটো সিঙ্ক সুবিধা নিষ্ক্রিয় করে রাখতে পারেন। আবার কিছু অ্যাপ স্বয়ংক্রিয়ভাবে হালানাগাদ হতে থাকে, এগুলোর অটো আপডেটও বন্ধ রাখতে পারেন।
http://www.prothom-alo.com
https://web.facebook.com/yousuf7181/ 
Read More
12:42 AM 0

নেটের গতি ধরে রাখুন

মহিউদ্দিন সোহেল | আপডেট: | প্রিন্ট সংস্করণ

কিছু কৌশল খাটালে স্মার্ট ফোনে ইন্টারনেটের গতি ঠিক রাখা সম্ভব। মডেল: মাহি, ছবি: কবির হোসেনঈদের ছুটিতে বাড়ি যাবেন অনেকেই। ঢাকা এবং ঢাকার বাইরে অন্য শহর বা গ্রামে ইন্টারনেটের গতি এক নয়। তা সে মোবাইল ফোনেই হোক বা ল্যাপটপে, ট্যাবে।
কিছু কৌশল জানা থাকলে অনেক ক্ষেত্রেই ইন্টারনেটের গতি একটু হলেও বাড়ানো যায়।
১ ইন্টারনেট সংযোগ পরীক্ষা করুন
ইন্টারনেটের গতি পরীক্ষা করার অ্যাপ যেমন স্পিডটেস্ট ব্যবহার করে দেখে নিতে পারেন বর্তমান ইন্টারনেটের গতির অবস্থা। গতি অনেকটা নির্ভর করে বেশি ব্যবহার, পিক আওয়ারে ব্যবহার, নেটওয়ার্ক এবং কী ধরনের ইন্টারনেট সংযোগ (ডেটা প্ল্যান) নিয়েছেন তার ওপর। ওয়াই-ফাই বা মোবাইল নেটওয়ার্ক, যেটাই ব্যবহার করেন না কেন দেখতে হবে এর সিগন্যাল ঠিকমতো পাচ্ছেন কি না।
ফোন ক্যাশ পরিষ্কার করুন
আপনার ফোনের মেমোরি ও ক্যাশ মেমোরি পরিষ্কার করেও মোবাইল ইন্টারনেটের গতি বাড়াতে পারেন। ফোনের মেমোরির পরিবর্তে এসডি কার্ড বা অনলাইনে ড্রপবক্স, গুগল ড্রাইভের মতো সেবা ব্যবহার করতে পারেন। মোবাইলের ক্যাশ মেমোরি যখন ভরা থাকে, যন্ত্রটিও তখন ধীরগতির হয়ে যায়, আর এ জন্য ইন্টারনেটের গতিও কমে যায়।
৩ অব্যবহৃত অ্যাপ ফেলে দিন
অনেক অব্যবহৃত অ্যাপ ফোনের কর্মক্ষমতা কমিয়ে ফেলে, যা ইন্টারনেটের গতির ওপর প্রভাব ফেলে। তাই অব্যবহৃত অ্যাপ্লিকেশন ফেলে দিন (আনইনস্টল)।
৪ সঠিক নেটওয়ার্ক
টুজি নেটওয়ার্কের পরিবর্তে থ্রিজি নেটওয়ার্ক ব্যবহার করুন। এতে গতি বাড়বে।
৫ নেটওয়ার্ক সেটিংস
আপনার ফোনের নেটওয়ার্ক সেটিংসে গিয়ে দেখুন সঠিক নেটওয়ার্কে যুক্ত আছে কি না। এটি শুধু টুজি বা থ্রিজির নেটওয়ার্কের সঙ্গে সীমাবদ্ধ নয়। অনেক মোবাইলের ক্ষেত্রে নেটওয়ার্ক স্বয়ংক্রিয়ভাবে GSM/WCDMA/LTE নির্ধারিত হয়। যদি স্বয়ংক্রিয়ভাবে নির্ধারণ না হয় তাহলে ম্যানুয়ালি নেটওয়ার্ক নির্বাচন করুন। আপনি যদি থ্রিজি ব্যবহারকারী হন তাহলে নেটওয়ার্ক টাইপ WCDMA বা 3G রাখুন।
৬ ব্রাউজার টেক্সট মোডে রাখুন
আপনার ছবির প্রয়োজন না হলে ব্রাউজার টেক্সট মোড হিসেবে রাখতে পারেন।
৭ ফাস্ট ওয়েব ব্রাউজার
ইন্টারনেটের ভালো গতির জন্য ফাস্ট ওয়েব ব্রাউজার যেমন: অপেরা মিনি, ইউসি বা ক্রোম ব্রাউজার ব্যবহার করতে পারেন এবং নিয়মিত হালনাগাদ করুন।
৮ স্পিড বুস্ট অ্যাপ ব্যবহার করুন
ইন্টারনেটের গতি বাড়ানোর জন্য কিছু অ্যাপ ব্যবহার করতে পারেন যেমন: ইন্টারনেট বুস্টার অ্যান্ড অপটিমাইজার, ফাস্টার ইন্টারনেট ২এক্স, ইন্টারনেট স্পিড বুস্টার ইত্যাদি।
৯ অটো সিঙ্ক বন্ধ করুন
কিছু অ্যাপ যেমন ই-মেইল স্বয়ংক্রিয়ভাবে সিংক হতে থাকে, এসব অ্যাপের অটো সিঙ্ক সুবিধা নিষ্ক্রিয় করে রাখতে পারেন। আবার কিছু অ্যাপ স্বয়ংক্রিয়ভাবে হালানাগাদ হতে থাকে, এগুলোর অটো আপডেটও বন্ধ রাখতে পারেন।
http://www.prothom-alo.com
https://web.facebook.com/yousuf7181/ 
Read More
12:42 AM 0

কার জন্য কেমন ইন্টারনেট প্যাকেজ?

নাসির খান | আপডেট: | প্রিন্ট সংস্করণ

মডেল: মাহি ছবি: কবির হোসেনকিছুদিন আগে পর্যন্ত হয়তো ইন্টারনেট ব্যবহার অনেকটা শখের বিষয় ছিল। কিন্তু এখন দৈনন্দিন কাজের সঙ্গে বিভিন্নভাবে যুক্ত হয়ে আছে ইন্টারনেট। পারস্পরিক যোগাযোগ, তথ্য সংগ্রহ ও তথ্য আদান-প্রদান, ব্যবসার কাজ পরিচালনাসহ আরও বহু কাজে ইন্টারনেট ব্যবহার হচ্ছে।
পরিসংখ্যান অনুযায়ী দেশের মোট ব্যবহারকারীর মধ্যে একটি বড় অংশ মুঠোফোন থেকে ইন্টারনেট ব্যবহার করে। ইন্টারনেট ব্যবহারের মাধ্যম যেমন আলাদা হতে পারে একইভাবে সবার ব্যবহার ও প্রয়োজন এক রকম নয়। প্রয়োজন ও কাজের ধরন অনুযায়ী ইন্টারনেট সংযোগ বেছে নিলে খরচটাও নিয়ন্ত্রণের মধ্য রাখা সম্ভব হয়।
থ্রিজি ইন্টারনেটদেশের সবগুলো মুঠোফোন সংযোগদাতাই উচ্চগতির থ্রিজি ইন্টারনেট সংযোগ দিয়ে থাকে। তবে সব সংযোগদাতা যে দেশব্যাপী এই সেবা দিতে পারছে এমন নয়। তাই ইন্টারনেট প্যাকেজ কেনার আগে আপনি নির্দিষ্ট ‘কভারেজ’ এলাকার মধ্যে আছেন কি না, সেটি দেখে নেওয়া উচিত। ইন্টারনেট প্যাকেজগুলো বেশ কয়েকভাবে ভাগ করে তৈির করা হয়েছে। এগুলো মূলত ব্যবহারের ধরনের ওপর নির্ভর করে সাজানো হয়। প্যাকেজগুলোকে সাধারণত তিন ভাগে ভাগ করা যায়। একটি হলো সাধারণ ইন্টারনেট প্যাকেজ—যা নির্দিষ্ট কয়েক দিন বা কয়েক ঘণ্টার জন্য নির্ধারণ করে দেওয়া থাকে। আর ওই নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে নির্দিষ্ট পরিমাণ ডেটা ব্যবহার করা যাবে। সংযোগদাতা ভেদে এই সময় ও ডেটার পরিমাণ কিছুটা আলাদা হয়ে থাকে। আবার কিছু সংযোগদাতা অফপিক সময়ে (সাধারণত কম ব্যবহার হয় যে সময়ে) বা গভীর রাতে ব্যবহারের জন্য অন্য সময়ের থেকে কিছুটা কম মূল্যের প্যাকেজ নির্বাচনের সুযোগ রেখেছে।
মুঠোফোন সংযোগদাতাদের সোশ্যাল প্যাকগুলো তাদের জন্য, যারা ফেসবুক, হোয়াটস অ্যাপ, ভাইবারের মতো কয়েকটি সামাজিক যোগাযোগের ওয়েবসাইটের বাইরে আর কিছুই করে না। বিশাল এই ইন্টারনেটের দুনিয়ায় যাদের ব্যবহার এই তিন-চারটি ওয়েবসাইটের মধ্যেই সীমাবদ্ধ তাদের কথা ভেবেই এই প্যাকেজগুলো তৈরি করেছে। এই প্যাকেজ সক্রিয় থাকার পরে ওই তিন-চারটি ওয়েবসাইট-সেবার বাইরে কোনো ওয়েবসাইট দেখতে চাইলে আলাদা করে অন্য কোনো প্যাকেজও সক্রিয় রাখতে হতে পারে। সাধারণ ডেটা ভলিউম প্যাকেজ থেকে এই ধরনের সোশ্যাল প্যাকগুলোর মূল্য তুলনামূলক কম।
এই দুই ধরনের প্যাকেজের পাশাপাশি ‘স্মার্ট প্যাকেজ’ নামের কিছু সংযোগও আছে। থ্রিজির মাধ্যমে ভিডিও কল করা, এমএমএস ব্যবহার ইত্যাদির সময় ও সংখ্যার মাধ্যমে এই প্যাকেজগুলোর মূল্য নির্ধারণ হয়ে থাকে।
তারহীন ওয়াইম্যাক্স
উচ্চগতির তারহীন ইন্টারনেটের একটি জনপ্রিয় প্রযুক্তি হলো ওয়াইম্যাক্স। দেশে মোট দুটি অনুমোদিত ওয়াইম্যাক্স সেবাদাতা প্রতিষ্ঠান রয়েছে। থ্রিজি প্যাকেজগুলোর চেয়ে কম দামে এই সংযোগ পাওয়া যায়। প্রিপেইড এবং পোস্টপেইড ধরনের কিছু প্যাকেজ রয়েছে, যেখানে ইন্টারনেটের গতি ও ডেটা ভলিউমের মাধ্যমে মূল্য নির্ধারণ করা হয়ে থাকে। তবে সব প্যাকেজের ন্যূনতম ব্রডব্যান্ড হিসেবে নির্ধারণ করা হয়েছে।
ওয়াইম্যাক্স ইন্টারনেট ব্যবহার করার জন্য আলাদাভাবে মডেম ব্যবহার করতে হয়। তবে ওয়াইম্যাক্স মডেমের সঙ্গে রাউটার যুক্ত করে একাধিক ব্যবহারকারী ইন্টারনেট সংযোগটি ব্যবহার করতে পারেন একই সময়ে। আবার কিছু কিছু মডেমের সঙ্গে রাউটার যুক্ত করাই থাকে। তবে একটি বিষয় জেনে রাখতে হবে যে মুঠোফোন থেকে সরাসরি ওয়াইম্যাক্স ইন্টারনেট ব্যবহার করা যায় না। ঢাকার বাইরে এই ধরনের ইন্টারনেট সংযোগ কয়েকটি শহরে রয়েছে।
ব্রডব্যান্ড
ব্রডব্যান্ড বলতে সাধারণত তারের মাধ্যমে সংযুক্ত উচ্চগতির ইন্টারনেট ব্যবস্থাকে বোঝানো হয়। দেশের প্রায় সব জেলা, উপজেলায় ব্রডব্যান্ড সংযোগ নেওয়ার ব্যবস্থা রয়েছে। এই ধরনের প্যাকেজগুলোর মূল্য নির্ধারণ করা হয়ে থাকে ইন্টারনেটের গতির ওপর এবং ডেটা ভলিউম উন্মুক্ত থাকে। তবে উচ্চগতির প্যাকেজগুলোতে কখনো কখনো সর্বোচ্চ ডেটা ভলিউম ব্যবহারের পরিমাণ নির্ধারণ করে দেওয়া থাকে। একটি মাত্র তারের মাধ্যমে ব্যবহারকারীকে সংযোগ দেওয়া হলেও রাউটার যুক্ত করে একই সঙ্গে অনেক ব্যবহারকারী একটি সংযোগ ব্যবহার করতে পারবেন।
বিটিসিএল এডিএসএল
বাংলাদেশ টেলিকম কোম্পানি লিমিটেড—বিটিসিএলের টেলিফোন সংযোগ-লাইনের ওপর ভিত্তি করেও একটি ইন্টারনেট ব্যবস্থা রয়েছে। উচ্চগতির এই নির্ভরযোগ্য সংযোগটি বেশ কয়েকটি প্যাকেজে ভাগ করা হয়েছে।
বাসা বা অফিসে ব্যবহার করার জন্য তারহীন ওয়াইম্যাক্স বা সাধারণ ব্রডব্যান্ড সংযোগ ব্যবহার করা যেতে পারে। মূল সংযোগের সঙ্গে রাউটার যুক্ত করে একাধিক ব্যবহারকারী ইন্টারনেট ব্যবহার করতে এবং সহজে নিজেদের মধ্যে ফাইল আদান-প্রদান করতে পারবেন। তবে সম্ভাব্য ব্যবহারকারীর সংখ্যার ওপর নির্ভর করে ইন্টারনেটের গতি নির্বাচন করা উচিত। মুঠোফোন অপারেটর, ওয়াইম্যাক্স ইন্টারনেট, বিটিসিএল এডিএসএলের ওয়েবসাইটে নির্দিষ্ট প্যাকেজের মূল্য ও সেবার পরিধি বিস্তারিত উল্লেখ করা আছে। আর ব্রডব্যান্ড সংযোগগুলো সাধারণত এলাকা বা অঞ্চলভিত্তিক হয়ে থাকে। তাই নির্দিষ্ট প্রতিষ্ঠানে যোগাযোগ করে ইন্টারনেট সংযোগগুলো কেনা যাবে।
ইন্টারনেট একটি বিশাল জগৎ, পৃথিবীর যে প্রান্তেই অবস্থান করা হোক না কেন ইন্টারনেটে যুক্ত থাকতে পারস্পরিক দূরত্বটি আর বুঝতে পারা যায় না। সামাজিক যোগাযোগের জন্য ফেসবুক বা অন্যান্য বেশ কিছু সেবা রয়েছে। তবে ইন্টারনেটের ব্যাপ্তি এবং ব্যবহার কেবল এই তিন-চারটি ওয়েবসাইটই নয়। ইন্টারনেটে নানা কাজের বহু ওয়েবসাইট ও সেবা ব্যবহারের সুযোগ রয়েছে। সঠিক ব্যবহার সাফল্য লাভের একটি মাধ্যম হতে পারে। 
Read More
12:42 AM 0

ব রেকর্ড ভেঙে পোকেমন গো

রিয়াদ জোবায়ের | আপডেট: | প্রিন্ট সংস্করণ
প্রকাশের পরপরই জনপ্রিয়তার বিচারে শীর্ষে উঠে আসে পোকেমন গো গেম l ছবি: এএফপিটেম্পল রান, অ্যাংরি বার্ড, ক্যানডি ক্রাশ কিংবা ক্ল্যাশ অব ক্ল্যানসের মতো জনপ্রিয় সব গেমের রেকর্ড ভেঙেছে পোকেমন গো। ৬ জুলাই অ্যান্ড্রয়েড ও আইওএস অপারেটিং সিস্টেমের জন্য উন্মুক্ত করার পর তিন দিনের মধ্যে যুক্তরাষ্ট্রে সাড়ে ৫ শতাংশ অ্যান্ড্রয়েডে স্মার্টফোনে গেমটি ইনস্টল করা হয়েছে। ইনস্টল না করতে পেরে ভিন্নপথে খেলেছেন আরও ৩ শতাংশ ব্যবহারকারী। যাঁরা ইনস্টল করেছেন, তাঁদের ৬০ শতাংশ প্রতিদিন গড়ে ৪৩ মিনিট গেমটি খেলছেন। সিমিলার ওয়েবের এই তথ্য থেকেই পোকেমন গো গেমের জনপ্রিয়তা সম্পর্কে কিছুটা ধারণা পাওয়া যায়।
ভিডিও গেম নির্মাতা নিনটেনডোর সঙ্গে সফটওয়্যার ডেভেলপার প্রতিষ্ঠান নিয়ানটিক আর দ্য পোকেমন কোম্পানির প্রকাশনায় পোকেমন গো গেমটি বিনা মূল্যে বিশ্বের বেশির ভাগ দেশ থেকেই খেলা যাবে। ৬ জুলাই যুক্তরাষ্ট্রে উন্মুক্ত করা হলেও ইউরোপের বাজারে গেমটি ভিন্ন ভিন্ন সময়ে প্রকাশিত হয়। ১৩ জুলাই জার্মানিতে; ১৪ জুলাই যুক্তরাজ্যে; স্পেন পর্তুগাল ও ইতালিতে ১৫ জুলাই এবং বাকি দেশগুলোতে ১৬ জুলাই বাজারে আসে এটি। বাজারে আসার পর যুক্তরাজ্যের অ্যাপ মার্কেটেও বেশ পরিবর্তন আসে। এর মধ্যে অবশ্য একটি বড় অংশ বিশ্বের বিভিন্ন দেশ থেকে গেমাররা ভিপিএন ব্যবহার করে কিংবা নিজের ফোনের অ্যাপ স্টোরের ঠিকানা পরিবর্তন করে যুক্তরাজ্যের অ্যাপ স্টোর থেকে ডাউনলোড করেছেন।
অর্থনৈতিক দিক থেকে ব্যাপক সফলতার মুখ দেখেছে গেমের নির্মাতা প্রতিষ্ঠান। বাজারে উন্মুক্ত করার পাঁচ দিনের মধ্যে নিনটেন্ডোর বাজারদর ৯০০ কোটি ডলার বেড়ে গেছে।
স্মার্টফোনের ক্যামেরার ছবি ব্যবহার করে পোকেমন ধরতে হবেশুরুটা দুই দশক আগেপোকেমন গো গেম সম্পর্কে জানার আগে পোকেমন কী, তা জানা দরকার। পোকেমনের ধারণা গত শতাব্দীর নব্বইয়ের দশক থেকেই প্রচলিত। পোকেমন একধরনের ভার্চ্যুয়াল প্রাণী। একে প্রশিক্ষণ দিয়ে অন্যান্য পোকেমন ধরার কাজে কিংবা অন্যান্য ব্যবহারকারীর পোকেমনের সঙ্গে যুদ্ধে অংশ নিতে ব্যবহার করা হয়। প্রতিটি পোকেমন চরিত্রের আলাদা কিছু সুপারপাওয়ার থাকে, যেগুলো দিয়ে শত্রুকে ঘায়েল করা যায়। ব্যবহারকারীদের রুচির পার্থক্যের জন্য একেকজনের কাছে একেকটি চরিত্র জনপ্রিয়তা পেয়েছে। তবে সবচেয়ে জনপ্রিয় চরিত্র ‘পিকাচু’। ভিডিও গেম নির্মাতা নিনটেন্ডোর গেম কনসোলে প্রথম পোকেমনের অস্তিত্ব মেলে। এরপর একাধারে কার্ড, কার্টুন ছবি, চলচ্চিত্র ও কমিক বুকে জনপ্রিয়তা পায়। আর এখন পোকেমনের দেখা মিলবে হাতের মুঠোয়, পোকেমন গো গেমে। গত ২০ বছরে প্রায় ৭০০ পোকেমন চরিত্র দেখা গেছে, সেখান থেকে ১৫১টি চরিত্র এই গেমে যোগ করা হয়েছে। এর মধ্যে কিছু চরিত্র নির্দিষ্ট এলাকার জন্য সীমাবদ্ধ। দেশ বা শহর পরিবর্তনের সঙ্গে সঙ্গে নতুন কিছু পোকেমন খুঁজে পাওয়া যাবে।
যেভাবে খেলতে হবেগেমটিতে ভালো করার কৌশল হলো ভিন্ন ভিন্ন এলাকায় যেতে হবে আর হাঁটার সময় আস্তে আস্তে হাঁটতে হবে, কখনো কখনো পাঁচ মিনিট অপেক্ষা করার পর একটি এলাকায় নতুন পোকেমন তৈরি হয়। সেই সঙ্গে পোকেমন ধরার দক্ষতাও বেশ জরুরি, একটি নতুন পোকেবল পোকেমনের ওপরে প্রথমে ঘুরিয়ে তারপর ছুড়ে মারতে হয়। তবে কিছু পোকেমন খুব শক্তিশালী হয়। এদের যেমন ধরা কঠিন, তেমনি এরা বল ভেঙে পালিয়ে যাওয়ার সম্ভাবনাও কম নয়। এ ক্ষেত্রে এদের সঙ্গে আগে লড়াই করে কিংবা কিছু খাবার দিয়ে পোষ মানিয়ে অধিগ্রহণ করা যেতে পারে। কোন পোকেমনটি বেশি শক্তিশালী, তা এর রং থেকে জানা সম্ভব, যেমন সবুজ পোকেমনের চেয়ে হলুদ পোকেমন বেশি শক্তিশালী, এরপর যথাক্রমে কমলা, লাল এভাবে। আর গেমে খুঁজে পাওয়া পোকেমনের ডিম ফুটানোর জন্য দুই থেকে পাঁচ কিলোমিটার পর্যন্ত হাঁটতে হতে পারে গেমারকে।
গেমটি খেলার জন্য পোকেজেম অনেক গুরুত্বপূর্ণ। বিভিন্ন সুবিধাসহ দুর্লভ প্রজাতির পোকেমন কেনার জন্য এই জেম খরচ করা যাবে। ১৪ হাজার ৫০০ পোকেজেমের জন্য মূল্য নির্ধারণ করেছে ৮০ পাউন্ড, যা গেমের সুবিধাদি কেনার জন্য আকাশচুম্বী। তবে হতাশ হওয়ার কিছু নেই, দীর্ঘ সময় গেম খেলার মাধ্যমে আস্তে আস্তে জেম সংগ্রহ করা সম্ভব। এ ছাড়া একই ধরনের পোকেমন যদি একাধিক থেকে থাকে, তবে সেগুলো বিক্রি করেও জেম অর্জন করা সম্ভব। গেমটি সম্পর্কে সব থেকে নেতিবাচক যে বিষয়টি এসেছে তা হলো, ফোনের ব্যাটারি দ্রুত শেষ হয়ে যায়, তাই গেমটি খেলতে হলে পাওয়ার ব্যাংক (অতিরিক্ত ব্যাটারি) সঙ্গে রাখার পরামর্শ দিয়েছেন গেমাররা।
গেম নিয়ে বিতর্ক
গেমটি খেলার সময় নিজ নিজ এলাকায় পোকেমন ধরা যায়। গুগল ম্যাপের সঙ্গে যুক্ত হয়ে আপনার আশপাশে লুকিয়ে থাকা পোকেমন খুঁজে বের করতে হয় এই গেমে। অর্থাৎ ম্যাপ থেকে খুঁজে বের করতে হবে কোথায় পোকেমন আছে এবং হেঁটে গিয়ে অন্য কেউ নিজের করে নেওয়ার আগেই সেটি উদ্ধার করতে হবে। এ থেকে সহজেই অনুমেয়, গেমটি খেলার জন্য প্রচুর হাঁটার বিকল্প নেই। ফলে আগে যেখানে বিভিন্ন ক্ষতিকর দিক দেখিয়ে চিকিৎসকেরা বেশি গেম খেলতে নিষেধ করতেন, সেখানে উল্টো তাঁরাই পরামর্শ দিচ্ছেন পোকেমন গো খেলার জন্য। সে জন্য সবাই অফিসে বা স্কুলে যাওয়ার সময়, রাস্তাঘাটে, বাসে, নদীর ধারে, বন-জঙ্গলে গিয়ে পর্যন্ত পোকেমন গো গেমটি খেলছেন পছন্দের পোকেমন ধরার জন্য আর এসব করতে গিয়ে বাধা-বিপত্তিও পোহাতে হচ্ছে ঢের। একদল দুষ্কৃতকারী ম্যাপ থেকে জেনে রাখছে কোনো দুর্গম এলাকায় পোকেমন রয়েছে, সেখানে অবস্থান নিয়ে কেউ তা খুঁজতে এলে মুঠোফোন ও টাকাপয়সা ছিনিয়ে নেওয়ার নজিরও পাওয়া গেছে, আর অতি উৎসাহী হয়ে গেমটি খেলার সময় সেতুর ওপর থেকে পড়ে গিয়ে এরই মধ্যে একজনের মৃত্যু পর্যন্ত হয়েছে।
http://www.prothom-alo.com
https://web.facebook.com/yousuf7181/
Read More
12:41 AM 0

পেপ্যাল নিয়ে ফ্রিল্যান্সাররা কী ভাবছেন?

রাহিতুল ইসলাম | আপডেট: | প্রিন্ট সংস্করণ
      
অবশেষ বাংলাদেশে চালু হচ্ছে অনলাইন-ভিত্তিক অর্থ লেনদেনসেবা পেপ্যাল। পেপ্যালের সঙ্গে কিছুদিন আগে চুক্তি করেছে রাষ্ট্র মালিকানাধীন সোনালী ব্যাংক। জানা গেছে, সোনালী ব্যাংকের পক্ষে উপমহাব্যবস্থাপক পর্যায়ের একজন কর্মকর্তা এ চুক্তিতে সই করেন। প্রথমে সোনালী ব্যাংকের পক্ষে খসড়া চুক্তিতে সই করে তা পাঠানো হয় পেপ্যালের সদর দপ্তরে। সেখান থেকে পেপ্যালের পক্ষে চুক্তিতে সই করা হয়েছে বলেও সোনালী ব্যাংক জানিয়েছে। এর ফলে ফ্রিল্যান্স আউটসোর্সিং কাজে জড়িত ব্যক্তিদের মধ্যে উৎসাহ তৈরি হয়েছে। এখন শুধু অপেক্ষা। বাংলাদেশে পেপ্যাল চালু হওয়ার ব্যাপারে কথা বলেছেন কয়েকজন সফল ফ্রিল্যান্সার।
পেপ্যাল এলে ফ্রিল্যান্সারদের অর্জিত টাকা দেশে আনতে সুবিধা হবে l কৃতজ্ঞতা: লুমেক্স আইটি, ছবি: খালেদ সরকারদেশে অর্থ আনার একটি অতিরিক্ত মাধ্যম যোগ হবেএমরাজিনা ইসলামফ্রিল্যান্সার। বেসিসের আউটসোর্সিং পুরস্কারপ্রাপ্তপেপ্যাল আসছে, এমন খবর আমরা আগেও অনেকবার শুনেছি। কিন্তু এবার মোটামুটি নিশ্চিত হতে পেরেছি পেপ্যাল আসছে। এটি আমাদের দেশের ফ্রিল্যান্সারদের জন্য খুবই আনন্দের সংবাদ। কারণ, টাকা আনার একটি অতিরিক্ত মাধ্যম আমরা পেতে যাচ্ছি। কিন্তু আমি জানি না বাংলাদেশে পেপ্যাল কেমন ফি কাটবে। আমি বর্তমানে পেওনিয়ার মাস্টার কার্ডে এবং ওয়্যার ট্রান্সফারের মাধ্যমে সরাসরি ব্যাংক হিসাবে টাকা আনছি। পেওনিয়ারের চার্জের চেয়ে যদি পেপ্যালের চার্জ বেশি হয়, তবে পেপ্যালে টাকা আনব না। চার্জ কম রাখলে ফ্রিল্যান্সারদের জন্য অনেক ভালো হবে। যেসব মাধ্যম আছে টাকা আনার, তার মধ্য থেকে পেপ্যালের পরিচিতি অনেক বেশি, এটি সব দেশে অ্যাকসেস আছে। তা ছাড়া অনলাইন কেনাকাটার জন্য পেপ্যাল খুবই ভালো একটি মাধ্যম হবে। খুব সহজেই কেনাকাটা করা যাবে। মাঝে আমি কিছুদিন একটা মার্কিন ওয়েবসাইটে ছবি বিক্রির জন্য দিয়েছিলাম। সেখানে শিল্পীরা তাঁদের আঁকা ছবি বিক্রি করতে পারেন। কিন্তু বিক্রির টাকা আনার একমাত্র মাধ্যম ছিল পেপ্যাল।
ই–কমার্স উদ্যোক্তাদের জন্য আশীর্বাদ
মাহফুজা সেলিম
ফ্রিল্যান্সার। বেসিসের আউটসোর্সিং পুরস্কারপ্রাপ্ত
পেপ্যাল একটি সহজ, নিরাপদ ও সর্বাধিক ব্যবহৃত অর্থ লেনদেনের মাধ্যম। অধিকাংশ বিদেশি ক্রেতা এতে লেনদেন করতে স্বাচ্ছন্দ্য বোধ করেন। যখনই আমরা জানাই যে আমাদের দেশে পেপ্যাল কাজ করে না, তখন তাঁরা পাশের দেশ বা অন্য কোথাও থেকে কাজটি করিয়ে নেন। এটি হয়তো তাঁর মনে একধরনের নেতিবাচক প্রভাব ফেলে। যেখানে পেপ্যালের মতো একটি সাধারণ লেনদেনব্যবস্থা নেই, সেখানে কাজ করতে গিয়ে হয়তো নানা ধরনের সমস্যায় পড়তে হতে পারে। ক্লায়েন্টের সঙ্গে আমার চুক্তি হয়ে গেলেও তাঁকে আবার তৃতীয় একটি পেমেন্ট সিস্টেম খুঁজতে হয়, যেটিতে হয়তো ক্লায়েন্ট লেনদেন করতে স্বাচ্ছন্দ্য বোধ করেন না।
আমার মনে হয়, পেপ্যাল এলে এই সমস্যাগুলো আর থাকবে না। দেশে প্রচুর ক্লায়েন্ট আসবেন, রেমিট্যান্স বাড়বে কয়েক গুণ। বর্তমানে আমরা যেসব লেনদেনমাধ্যম ব্যবহার করি, এগুলো তুলনামূলক ব্যয়বহুল ও সময়সাপেক্ষ। পেপ্যাল এলে এই সমস্যা দূর হবে। পেপ্যাল শুধু মুক্ত পেশাজীবীদের (ফ্রিল্যান্সার) জন্যই নয়, দেশের ই-কমার্স ও অনলাইন উদ্যোক্তাদের জন্য আশীর্বাদ হয়ে আসবে।

এর-ওর কাছে যেতে হবে না
শাহরিনা ইয়াসমিন
ফ্রিল্যান্সার, বেসিসের আউটসোর্সিং পুরস্কারপ্রাপ্ত
পেপ্যাল সব ক্ষেত্রেই প্রয়োজনীয়। আন্তর্জাতিক বাজারে পেপ্যালের গুরুত্ব অনেক বেশি। বাংলাদেশে পেপ্যাল এলে শুধু ফ্রিল্যান্সাররা নন, আন্তর্জাতিক অনলাইন বাজার থেকে কেনাকাটা শুরু করে সবকিছুই সহজ হয়ে যাবে। অনলাইনে কোনো প্রশিক্ষণ নিতে গেলে পেপ্যালের দরকার হয়। প্রকল্প ব্যবস্থাপনার মতো প্রশিক্ষণ আন্তর্জাতিক কোনো ওয়েবসাইট থেকে নিতে হলে পেপ্যালের কোনো বিকল্প নেই। আমি যুক্তরাষ্ট্রে যখন থাকতাম, তখন পেপ্যাল ব্যবহার করেছি। আমার কাছে অনেকে যোগাযোগ করতেন প্রশিক্ষণের এই ফি দেওয়ার জন্য। অনেকে দেখা যায় শুধু পেপ্যাল বা এমন লেনদেনের মাধ্যমের জন্যই কাজগুলো সম্পন্ন করতে পারছেন না। বাংলাদেশে পেপ্যাল এলে খুবই ভালো হবে বলে মনে করি। আমি এখন সরাসরি ব্যাংকের মাধ্যমে দেশে অর্থ আনছি। তিন-চার বছর ধরে বেশ কটি ব্যাংক এই সুবিধা দিচ্ছে।

আর লজ্জা পেতে হবে না
ওবায়েদুল ইসলাম
আউটসোর্সিং প্রশিক্ষক
পেপ্যাল এলে সবচেয়ে বড় ব্যাপারটা হলো নিজের একটা ঠিকানা থাকবে। এর-ওর কাছে গিয়ে বায়না ধরতে হবে না। বাইরের অনেক ই-কমার্স সাইট আছে, যেগুলোতে পেপ্যাল ছাড়া কোনো লেনদেন হয় না। ইবেসহ বিভিন্ন সাইটে শুধু পেপ্যাল দিয়েই লেনদেন করা সম্ভব। পেপ্যাল এলে এই কেনাকাটাগুলো অনেক সহজ হবে। বড় কথা হলো, বাইরের ক্লায়েন্টের কাছে লজ্জা পেতে হবে না। কারণ, তাঁরা চান পেপ্যালে লেনদেন করতে। এখন ভয় হচ্ছে, কেমন চার্জ দিতে হবে? কী শর্ত আর কোন পরিমাণ অর্থ লেনদেন করতে পারব, এটা আসল বিষয়। লেনদেনে কোনো লিমিট দিয়ে দিলে সেটার খারাপ প্রভাব পড়তে পারে। আমার চাওয়া হলো, সরকার এই বিষয়ে গুরুত্ব দিয়ে যেন কাজ করে এবং ভ্যাটের পরিমাণ যেন খুব বেশি না হয়।

কেনাকাটা সহজ হবে
রাসেল আহমেদ
ফ্রিল্যান্সার, প্রধান কর্মকর্তা, আর আর ফাউন্ডেশন
পেপ্যাল বাংলাদেশে এলে লেনদেন অনেক সহজ হবে। আমি এখন সরাসরি ব্যাংকের মাধ্যমে অর্থ আনছি। এতে অবশ্য ফি একটু বেশি কাটছে। কিন্তু পেপ্যাল এলে অর্থ সরাসরি পাব। আর চার্জও তুলনামূলকভাবে কম হবে। বাইরের গ্রাহকেরা পেপ্যালে পেমেন্ট করতে চান। এই সমস্যাটি আর থাকবে না। তা ছাড়া এতে স্থানীয় ই-কমার্স সাইটগুলো লাভবান হবে। পেপ্যালের মাধ্যমে কেনাকাটাও সহজ হয়ে যাবে। পেপ্যাল ব্যাংকের মাধ্যমে আসছে, এখন দেখার ব্যাপার কী কী শর্ত দেয়।

পেপ্যাল নেই এমন উত্তরে ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন হয়
শাহ ইমরাউল কায়ীশ
ব্যবস্থাপনা পরিচালক, টেকনো বিডি ওয়েব সলিউশন্স
পেপ্যাল বাংলাদেশে এলে সুবিধা অনেক। আন্তর্জাতিক লেনদেন সহজ হবে। অনেক সাইট আছে, যেখানে পেপ্যাল ছাড়া কোনো কিছু কাজ করে না। একটা বিষয় দেখা যায় যে আন্তর্জাতিক ক্রেতারা কিছু কিনতে চাইলে পেপ্যালের মাধ্যমে লেনদেন সম্পন্ন করতে চান। পেপ্যাল নেই এমন উত্তরে ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন হয়। পেপ্যালের নেটওয়ার্ক অনেক বড়। বাইরে থেকে খুব সহজেই পছন্দের পণ্য কেনা যাবে পেপ্যাল এলে। এখন দেখার বিষয় পেপ্যাল বাংলাদেশে কীভাবে আসে। তাদের মডেলটি কেমন হবে বাংলাদেশের জন্য।

এখন যে মাধ্যমে অর্থ আসে 
*  সরাসরি ব্যাংকের মাধ্যমে (ওয়্যার ট্রান্সফার)
* পেওনিয়ার (মাস্টার কার্ড)
http://www.prothom-alo.com
https://web.facebook.com/yousuf7181/
Read More
12:40 AM 0

বন্ধুত্বের কীর্তি

আপডেট: | প্রিন্ট সংস্করণ
কারও প্রয়োজনীয়তা থেকে, কারও আবার ভালো লাগা থেকে কিংবা ভিন্ন কিছু থেকেই হয়তো বন্ধু বন্ধুর সঙ্গে মিলে গড়ে তোলেন প্রতিষ্ঠান, যা বর্তমানে পৃথিবীর সফল প্রতিষ্ঠানের কয়েকটি। এ ধরনের কয়েকটি প্রযুক্তিপ্রতিষ্ঠানের যাত্রা শুরুর গল্প শোনা যাক।
.অ্যাপল১৯৭০-এর গ্রীষ্মে চাকরি করতে গিয়ে বন্ধুত্ব হয় দুই স্টিভের। স্টিভ ওজনিয়াক ব্যস্ত কম্পিউটার তৈরিতে। স্টিভ জবস তখন ওজনিয়াককে জানান এটি বিক্রির সুযোগ রয়েছে। তাঁরা পেরেছিলেনও বটে। এরপর ভাবা শুরু করেন কীভাবে একটি প্রতিষ্ঠান গড়ে তুলতে পারেন এবং পৃথিবীতে পরিবর্তন আনা যায়। ছয় বছর পর ১৯৭৬ সালের ১ এপ্রিল প্রতিষ্ঠা করেন অ্যাপল কম্পিউটার ইনকরপোরেটেড।
.ইউটিউব২০০২ সালের অক্টোবরে মার্কিন ই-কমার্স প্রতিষ্ঠান ইবে পেপ্যাল কিনে নিলে বাংলাদেশি-জার্মান বংশোদ্ভূত জাভেদ করিমের সঙ্গে চাকরি হারান চ্যাড হার্লে ও স্টিভেন চ্যান। এরপর এই তিন বন্ধু ভাবতে থাকেন কী করা যায়। ২০০৫-এর ১৫ ফেব্রুয়ারি শুরু করেন তাঁদের নতুন উদ্যোগ ইউটিউব।
.গুগলল্যারি পেইজ এবং সের্গেই ব্রিন। এ দুজনের মধ্যে বন্ধুত্বের সম্পর্ক হুট করেই গড়ে ওঠেনি। স্ট্যানফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ে পিএইচডি করছিলেন তাঁরা। আর সে জন্য নেহাত গবেষণা প্রকল্প হিসেবে কাজ শুরু করেন। আর তা থেকেই ১৯৯৮ সালের ৪ সেপ্টেম্বর দুই বন্ধু একটি প্রাইভেট লিমিটেড কোম্পানি হিসেবে গুগলের প্রতিষ্ঠা করেন।
.এইচপি
স্ট্যানফোর্ডের প্রকৌশল প্রোগ্রামিংয়ের ছাত্র ছিলেন উইলিয়াম রেডিংটন হিউলেট এবং ডেভিড প্যাকার্ড। স্নাতক করার পর দুই সপ্তাহের ভ্রমণে গেলে তাঁদের মধ্যে বন্ধুত্বের সম্পর্ক গাঢ় হয়। তারপর ১৯৩৯ সালের ১ জানুয়ারি যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়ার পালো আল্টোর গ্যারেজে এ দুজন প্রতিষ্ঠা করেন তাঁদের কোম্পানি এইচপি।
.মাইক্রোসফট
লেকসাইড প্রাইভেট স্কুলেই দুজনের পরিচয়। এরপর সম্পর্ক গড়ায় বন্ধুত্বে। বিল গেটস ও পল অ্যালেন—দুজনের মধ্যেই ছিল কম্পিউটারের প্রতি ভালো লাগা। আর তা থেকেই দুই বন্ধু মিলে ১৯৭৫ সালের ৪ এপ্রিল নিউ মেক্সিকোর অ্যালবাকের্কিতে প্রতিষ্ঠা করেন মাইক্রোসফট।
সূত্র: বিজনেস ইনসাইডার
http://www.prothom-alo.com
https://web.facebook.com/yousuf7181/
Read More
12:39 AM 0

ওয়েবের ২৫ বছর

আপডেট: | প্রিন্ট সংস্করণ
সার্নের কার্যালয়ে নিজের ব্যবহৃত কম্পিউটারের সামনে স্যার টিম বার্নার্স–লিপ্রথম ওয়েবসাইট চালুর ২৫ বছর পূর্ণ হয় চলতি বছরের ৬ আগস্ট। ব্রিটিশ কম্পিউটার বিজ্ঞানী স্যার টিম বার্নার্স-লির হাতে ২৫ বছর আগে তৈরি সাদামাটা নকশার প্রথম সেই ওয়েবসাইটটি ছিল নতুন যুগের শুরু। এই ২৫ বছরের ওয়েবের গুরুত্বপূর্ণ কিছু ঘটনা এখানে তুলে ধরা হলো।
১২ মার্চ ১৯৮৯: ইউরোপীয় পারমাণবিক গবেষণাপ্রতিষ্ঠান সার্নে কর্মরত অবস্থায় ব্রিটিশ কম্পিউটার বিজ্ঞানী স্যার টিম বার্নার্স-লি ওয়ার্ল্ড ওয়াইড ওয়েবের ধারণা উপস্থাপন করেন তাঁর ‘ইনফরমেশনাল ম্যানেজমেন্ট প্রপোজাল’ গবেষণাপত্রে। তাঁর লেখা প্রোগ্রামিং সংকেত সবার জন্য প্রকাশ করেন ১৯৯০ সালের ২৫ ডিসেম্বর।
৬ আগস্ট ১৯৯১: সার্নের ডোমেইন নেমে বিশ্বের প্রথম ওয়েবসাইট চালু করেন টিম বার্নার্স-লি।
১৯৯৩: মার্ক অ্যান্ডারসনের নেতৃত্বে ইউনিভার্সিটি অব ইলিনয়েসের এক দল গবেষক ওয়েবসাইট দেখার সফটওয়্যার হিসেবে প্রথম মোজাইক তৈরি করেন। এই সফটওয়্যারের জন্যই সবার মধ্যে ওয়েবের জনপ্রিয়তা ছড়িয়ে পড়ে। মোজাইকের ওপর ভিত্তি করেই ১৯৯৪ সালে তৈরি হয় আরেক বাণিজ্য-সফল ব্রাউজার নেটস্ক্যাপ।
১৯৯৪
* চীনে প্রথমবারের মতো ইন্টারনেট সংযোগ দেওয়া হয়। সেই তখন থেকেই বিষয়বস্তুর ওপর তাদের নজরদারির শুরু।
* যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্টের বাসভবন হোয়াইট হাউসের ওয়েবসাইট চালু হয়।
১৯৯৫: উইন্ডোজ অপারেটিং সিস্টেম ব্যবহারকারীদের জন্য ইন্টারনেট এক্সপ্লোরার ব্রাউজার উন্মোচন করে মাইক্রোসফট। প্রতিযোগিতায় টিকতে না পেরে নেটস্ক্যাপের বিদায়। চালু হয় ই-কমার্স প্রতিষ্ঠান ইবে।
১৯৯৬: ফিনল্যান্ডভিত্তিক মোবাইল ফোন নির্মাতাপ্রতিষ্ঠান নকিয়া ইন্টারনেট সংযোগসহ প্রথম মুঠোফোন বাজারে ছাড়ে।
১৯৯৮
* যাত্রা শুরু করে গুগল। সার্চ ইঞ্জিনের লড়াইয়ে দ্রুত এগিয়ে যায় প্রতিষ্ঠানটি।
* ওয়েব ডোমেইন সিস্টেমের নিয়ন্ত্রণ যুক্তরাষ্ট্র সরকার থেকে ইন্টারনেট করপোরেশন ফর অ্যাপ্লাইড নেমে অ্যান্ড নার্ভাস (আইমান) নামের প্রতিষ্ঠানের হাতে তুলে দেওয়া হয়।
২০০০: বিশ্বব্যাপী লাখো কম্পিউটারে ‘আই লাভ ইউ’ নামের ইন্টারনেট ভাইরাস ছড়িয়ে পড়লে কোটি কোটি ডলারের ক্ষতি হয়। সে থেকেই ইন্টারনেটে নিরাপত্তার প্রয়োজনীয়তা দেখা দেয়।
২০০১: মার্কিন আদালতের আদেশে অনলাইনে কপিরাইট লঙ্ঘনের অভিযোগে গান ভাগাভাগি করার সেবা ন্যাপস্টার বন্ধ করে দেওয়া হয়।
২০০৫: ইন্টারনেটে যুক্ত মানুষের সংখ্যা ১০০ কোটি ছাড়িয়ে যায়।
২০০৭: অনলাইনে প্রথমবারের মতো সংসদ নির্বাচনে ভোট গ্রহণ করে এস্তোনিয়া।
২০১২
* ই-কমার্স লেনদেনের পরিমাণ এক লাখ কোটি ডলার ছাড়িয়ে যায়।
* সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে ব্যবহারকারীর সংখ্যা ১০০ কোটিতে পৌঁছায়।
* ইন্টারনেটের ওপর যুক্তরাষ্ট্রের নিয়ন্ত্রণ বেশি এমন অভিযোগ এনে চুক্তিপত্রে সই করে জাতিসংঘের ৮৯টি সদস্যদেশ। যুক্তরাষ্ট্রসহ ৫৫টি দেশ তা প্রত্যাখ্যান করে। প্রত্যাখ্যানের কারণ হিসেবে উল্লেখ করা হয়, এতে ইন্টারনেটের ওপর সরকারের নিয়ন্ত্রণ বেড়ে যাবে।
২০১৩: বিশ্বের মোট জনসংখ্যার প্রায় ৪০ শতাংশ, অর্থাৎ ২৭০ কোটি মানুষ ইন্টারনেটে যুক্ত হয়। ইন্টারনেটে সবচেয়ে বেশি ব্যবহৃত ভাষার তালিকায় ইংরেজিকে ছাড়িয়ে চায়নিজ ওপরে উঠে আসে।
২০১৪: ১৮ থেকে ২৯ বছর বয়সী ইন্টারনেট ব্যবহারকারীর ৪০ শতাংশ জানায়, তাদের ভালোবাসার সম্পর্কে ইন্টারনেটের প্রভাব গুরুতর।
সূত্র: এএফপি
http://www.prothom-alo.com/
https://web.facebook.com/yousuf7181/
Read More
12:38 AM 0

গুগলে বাড়তি কিছু

শাওন খান | আপডেট: | প্রিন্ট সংস্করণ
ইন্টারনেটে থাকা কোটি কোটি তথ্য থেকে আপনি যা খুজঁছেন তা বের করে আনে গুগল। সার্চ ইঞ্জিন হিসেবেই মূল পরিচিতি গুগলের। তথ্য খোঁজা ছাড়াও বেশ কিছু দরকারি আর মজার কাজ করে দেবে গুগল। ওই সার্চ সুবিধা থেকেই আপনি নিত্যপ্রয়োজনীয় কিছু কাজ সহজেই সেরে ফেলতে পারেন।
১. সরাসরি ওয়েবসাইটে যাওয়া
কখনো কি লক্ষ্য করেছেন গুগলে সার্চ বাটনের সঙ্গে ‘ভাগ্যবান অনুভব করছি’ বা ‘আই এম ফিলিং লাকি’ লেখা আরেকটি বোতাম আছে। প্রতিবছর প্রায় এক কোটি ডলারের বেশি ব্যয় হয় এই বোতামের পেছনে। এর কাজ হলো, খোঁজ করা বিষয়-সংশ্লিষ্ট ওয়েবসাইটে সরাসরি নিয়ে যাওয়া। তাই কোনো বিষয়ের ওয়েবসাইটটি খুঁজে পেতে ঝামেলা কম হয়।
২. অনুবাদ করা
কোনো লেখা এক ভাষা থেকে আরেক ভাষায় সহজে অনুবাদ করার জন্য শুধু সার্চ বারে লিখুন Translator। অনুবাদ করার বক্সটি এলে অনুবাদ করার জন্য যেকোনো ভাষা নির্বাচন করতে পারবেন। এরপর যেকোনো ভাষায় অনুবাদ করা যাবে গুগলের হোমপেজে থেকেই।
৩. হিসাবনিকাশ করা
গুগলের সার্চ বারে গিয়ে ক্যালকুলেটর লিখে সার্চ দিলেই একটি ক্যালকুলেটর চলে আসবে, যাতে যেকোনো হিসাব করতে পারবেন। সরাসরি অঙ্ক লিখে দিলেও গুগল ফলাফল বের করে দিতে পারে। এ ছাড়া গুগলে যেকোনো ধরনের টাকার মূল্য, পরিমাপসহ অনেক কিছুর রূপান্তর করা যায় শুধু মাঝখানে টু (যেমন: Dollar to Taka, Pound to kg) লিখে সার্চ দিলেই হবে।
৪. টাইমার কিংবা স্টপ-ওয়াচ
Timer লিখে সার্চ করুন। টাইমার এবং স্টপ ওয়াচ চলে আসবে যাতে আপনি সময় নির্ধারণ করতে পারবেন এবং শেষ হয়ে গেল গুগল সংকেত দিয়ে জানিয়ে দেবে আপনাকে।
৫. সংখ্যা উচ্চারণ করা
আপনি কি ১২৭২৭২৭২৭২৭ পুরো সংখ্যাটি বলতে পারবেন? অনেকটা কঠিন তাই না! তবে গুগল সেটা এক সেকেন্ডেই করে দিতে পারবে। গুগলে যেকোনো সংখ্যা লিখে =English লিখলেই গুগল বলে দেবে কীভাবে সংখ্যাগুলো উচ্চারণ করতে হয়।
৬. আবহাওয়া, সূর্যোদয় বা সূর্যাস্তের সময় জানা
বিশ্বের যেকোনো স্থানের বর্তমান আবহাওয়া, সূর্যোদয় ও সূর্যাস্তের সঠিক সময় জানা যায় গুগল থেকেই। এর জন্যে সার্চ বারে জায়গার নামের সঙ্গে Weather, sunrise, sunset লিখলে প্রথমেই চলে আসবে।
৭. খেলার সময়সূচি ও সরাসরি ফলাফল দেখা
বিশ্বের প্রায় যেকোনো খেলার আগাম সময়সূচি জানতে খেলার নাম লিখে পাশে লিখুন Schedules অথবা স্কোর জানতে পাশে লিখুন Score। পেয়ে যাবেন দুটোই। চলমান কোনো খেলার স্কোর দেখতে পারবেন সরাসরি।
৮. চলচ্চিত্রে অভিনীত শিল্পীর নাম জানা
যেকোনো চলচ্চিত্র বা নাটকে অভিনীত শিল্পীর নাম জানতে সার্চ বারে Cast লিখে চলচ্চিত্রের নাম লিখলেই দেখা যাবে শিল্পীদের ছবিসহ নাম।
৯. দূরত্ব জানা
আপনি খুব সহজেই দুটো জায়গার মধ্যকার দূরত্ব এবং পৌঁছানোর আনুমানিক সময় জানতে পারবেন গুগলে। না গুগল ম্যাপে নয়, সরাসরি গুগলের সার্চ বারে দুটো জায়গার নাম (যেমন: Dhaka to Chittagong) লিখে দিলেই গুগল আপনাকে দূরত্ব, সময়, যাওয়ার রাস্তাসহ আরও অনেক তথ্য দেবে।
১০. ফ্লাইটের অবস্থান জানা
গুগলের কাছ থেকে জেনে নিতে পারেন কোনো বিমানের বর্তমান তথ্য। ফ্লাইট নম্বর গুগলে দিলেই গুগল আপনাকে বিমানটির প্রারম্ভিক ও গন্তব্যস্থল, ছাড়ার ও পৌঁছানোর সময়, অবস্থানসহ নানা তথ্য দেখাবে।
আরও কিছু
গুগলে প্রয়োজনীয় এসব কাজ ছাড়াও শুধু মজা করার জন্যে কিছু ফিচার রয়েছে। গুগল ইন ১৯৯৮ লিখলে গুগলের প্রথম দিকের ভার্সনে নিয়ে যাবে আপনাকে। সরাসরি গুগলে গিয়ে Do a Barrel Roll লিখে গুগলকে একটা ঘুরনি দিতে পারেন। Askew লিখে গুগল একদিকে হেলিয়ে ফেলতে পারবেন। Blink HTML লিখলে হোম পেইজের এচটিএমএলগুলোকে মিটমিট করে জলা ঝোনাকির মতো করতে পারবেন। এ ছাড়া Flip a coin লিখে টস করতে পারবেন। Google sky লিখে মহাকাশে একটা ঢুঁ মেরে আসতে পারেন। Elgoog লিখে আই এম ফিলিং লাকি তে চাপলেই গিটার বাজানো, সাপ খেলাসহ অনেক মজার কিছু কাজ করা যায়। গুগলের ইমেজ সার্চে গিয়ে Atari Breakout লিখে একটা গেম খেলতে পারবেন।
http://www.prothom-alo.com/
https://web.facebook.com/yousuf7181
Read More
12:37 AM 0

সারাইখানা

আপডেট: | প্রিন্ট সংস্করণ
* আমার কম্পিউটারে ইন্টারনেট সংযোগের জন্য মডেম ব্যবহার করি। কীভাবে আমি কম্পিউটারের এই ইন্টারনেট সংযোগ আমার অ্যান্ড্রয়েড স্মার্টফোনেও ব্যবহার করতে পারব?
সম্রাট, ঢাকা।
সমাধান: কম্পিউটার থেকে ইন্টারনেট অন্য যন্ত্রে ব্যবহার অর্থাৎ শেয়ার করার জন্য তারহীন ল্যানের মাধ্যমে হটস্পট ব্যবহার করতে পারেন। ল্যাপটপে সাধারণত এটা থাকে। আর ডেস্কটপ কম্পিউটারের জন্য তারহীন ল্যান কিনে নিতে হয়।
* আমার এইচপি ব্র্যান্ডের ল্যাপটপ। চার্জারে বিদ্যুৎ সংযোগ দিলে ‘plugged in but not charging’ দেখায়। এর কারণ কী?
অনিমেষ বিশ্বাস
সমাধান: আরও বিস্তারিত জানা দরকার, কত শতাংশ চার্জ থাকা অবস্থায় এই লেখা আসে? গ্রাহক সেবাকেন্দ্রে দেখাতে পারেন।
* আমার কম্পিউটারে শব্দ শোনা যাচ্ছে না। ট্রাবলশুট করতে বলছে। এই সমস্যার সমাধান কী?
এনাম রাকিব
সমাধান: আগে অডিও হার্ডওয়্যার ঠিক আছে কি না তা চেক করতে হবে, যদি অডিও হার্ডওয়্যার ঠিক থাকে, তাহলে অডিও ড্রাইভার সেটআপ করে দেখতে পারেন, অথবা সার্ভিস সেন্টারে দেখাতে পারেন।
পরামর্শ দিয়েছেন: মেহেদি হাসান
হার্ডওয়্যার প্রকৌশলী, রায়ানস আইটি লিমিটেড
সারাইখানায় প্রশ্ন পাঠানোর ঠিকানা:
সারাইখানা, প্রজন্ম ডটকম প্রথম আলো, ১০০ কাজী নজরুল ইসলাম, কারওয়ান বাজার, ঢাকা ১২১৫
ই-মেইল: pdotcom@prothom-alo.info ফেসবুক: www.fb.com/ProjonmoDotCom
www.facebook.com/yousuf7181
Read More
12:35 AM 0

টিউটোরিয়াল

কম্পিউটারের সাধারণ কিছু কাজ

রাকিবুল হাসান | আপডেট: | প্রিন্ট সংস্করণ
.কম্পিউটারের সাধারণ কিছু বিষয় অনেক সময় বেশ কাজে দেয়। এমন কিছু সাধারণ কৌশল দেওয়া হলো, যা প্রয়োগ করলে কম্পিউটারের খুঁটিনাটি সমস্যা দূর হবে।
কম্পিউটার চালু না হলে
কখনো কম্পিউটার চালু না হলে সেফ মুড থেকে বুট করা যায়। এ জন্য কম্পিউটার চালু করার বোতাম চেপে কি-বোর্ড থেকে F8 চাপুন। তালিকা থেকে Last Known Good Configuration নির্বাচন করে আগে ভালো থাকা উইন্ডোজকে ফিরিয়ে আনা যাবে। কম্পিউটার চালু হতে সমস্যা হলে Windows Startup Repair চেপে তা ঠিক করা যায়। এটি স্টার্টআপ (চালু হওয়া) সমস্যা দূর করে কম্পিউটারকে আবার চালু (বুট) করে।
সিস্টেম রিস্টোর পয়েন্টকম্পিউটার চালাতে গিয়ে অনেক ধরনের সমস্যা দেখা দিতে পারে, ভালো থাকা অবস্থায় সিস্টেম রিস্টোর পয়েন্ট তৈরি করে রাখলে প্রয়োজনে তা কাজে লাগানো যাবে। এ জন্য Start Menu থেকে Accessories-এ যান। System Tools থেকে System Restore-এ ক্লিক করে খুলুন। অথবা উইন্ডোজ সাত বা আটের স্টার্ট মেনুতে rstrui. exe লিখে এন্টার চাপুন। সিস্টেম রিস্টোর খুলে গেলে Next চেপে কিছুক্ষণ অপেক্ষা করুন। পরের ধাপে Finish চাপলে নতুন সিস্টেম পয়েন্ট তৈরি হবে। ভবিষ্যতে উইন্ডোজের যেকোনো সমস্যায় তৈরি থাকা সিস্টেম রিস্টোর পয়েন্ট থেকে উইন্ডোজকে ফিরিয়ে আনা যাবে।
সিস্টেম ফাইল চেকার
কম্পিউটারের সিস্টেমগত কোনো সমস্যা তৈরি হলে সিস্টেম ফাইল চেকার ব্যবহার করে সমস্যার সমাধান করা যায়। সাধারণত কম্পিউটারের কোনো ফাইল প্রতিস্থাপিত (রিপ্লেস) হলে বা ক্ষতিগ্রস্ত কিংবা নষ্ট হলে ভালো ফাইল দিয়ে সিস্টেম ফাইল চেকার সেটি দূর করে। এ জন্য স্টার্ট মেনুতে গিয়ে cmd লিখুন। Command Prompt এলে তাতে মাউসের রাইট ক্লিক করে Run as administrator চেপে খুলুন। এবার কমান্ড প্রম্পটে sfc/scannow লিখে এন্টার চাপুন। কিছুক্ষণ সময় নিয়ে রিপোর্টের মাধ্যমে কম্পিউটারে কোনো সমস্যা বা ক্ষতিগ্রস্ত কিংবা নষ্ট ফাইল থাকলে ঠিক করে তা জানিয়ে দেবে।
অনাকাঙ্ক্ষিত সফটওয়্যার মুছুন
কম্পিউটারের কন্ট্রোল প্যানেল চালু করে ইনস্টল থাকা প্রোগ্রামগুলো চেক করে নিন। যদি অনাকাঙ্ক্ষিত বা অব্যবহৃত সফটওয়্যার থাকে তাহলে সেটি মুছে ফেলাই উত্তম।
www.prothom-alo.com
www.facebook.com/yousuf7181
Read More
12:34 AM 0

অ্যাপ দেখাবে ফিলিং স্টেশনের পথ

এস এম নজিবুল্লাহ চৌধুরী | আপডেট: | প্রিন্ট সংস্করণ
.গাড়ি নিয়ে রাস্তায় বের হয়ে মাঝপথে দেখা গেল জ্বালানি ফুরিয়ে গেছে। তা-ও এমন জায়গায় ফুরিয়ে গেছে যে আশপাশে ঠিক কোথায় ফিলিং স্টেশন বা পেট্রোল পাম্প আছে, তা আপনার জানা নেই। কী করবেন? গাড়ি ফেলে তো আর যাওয়া যায় না। দেশীয় প্রতিষ্ঠান ইম্পোরিয়াম টেকনোলজি গত মাসে ‘ফিলিং স্টেশন ফাইন্ডার ইন বিডি’ নামে এক অ্যাপ প্রকাশ করেছে। এই অ্যাপ এমন বিপদ থেকে আপনাকে উদ্ধারের পথ বাতলে দিতে পারে।
অ্যাপটির ‘ফাইন্ড নিয়ারবাই সিএনজি স্টেশন’ ও ‘ফাইন্ড নেয়ারবাই ফিলিং স্টেশন’ নামের দুটি বিভাগের মাধ্যমে জানা যাবে আপনার বর্তমান অবস্থান থেকে নিকটতম ফিলিং স্টেশন কোথায় আছে, তার দূরত্ব এবং সেখানে যাওয়ার পথ। তাও আবার পথের নির্দেশনা দিয়ে আপনাকে নিকটতম ফিলিং স্টেশনে পৌঁছেও দেবে।
প্রতিষ্ঠানটির ব্যবস্থাপনা পরিচালক ফাহিম শাহরিয়ার বলেন, ‘মূলত যাত্রার মাঝপথে বিপদের মুহূর্ত থেকে যাত্রীদের রক্ষা করতে এই অ্যাপ বানানো হয়েছে।’ অচেনা পথে সাহায্য করতেই অ্যাপটি তৈরি করা হয় বলে জানালেন ইম্পোরিয়াম টেকনোলজির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মামুনুর রশীদ। তিনি আরও বলেন, অনেক লোক নিয়মিত ঢাকায় আসেন। যাঁদের পুরো ঢাকার রাস্তাঘাট চেনা না-ও থাকতে পারে। তাঁরা এই অ্যাপের মাধ্যমে উপকৃত হবেন।
এখন পর্যন্ত শুধু রাজধানীর ফিলিং স্টেশনগুলোর তথ্য রয়েছে অ্যাপটিতে। মামুনুর রশীদ বলেন, শিগগিরই দেশের সব ফিলিং স্টেশনের তথ্য হালনাগাদ করা হবে। আপাতত শুধু অ্যান্ড্রয়েড সংস্করণের জন্য গুগল প্লেস্টোরে পাওয়া যাচ্ছে এই অ্যাপ। অন্যান্য সংস্করণের জন্যও অ্যাপ তৈরি করা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন দুজনই।
অ্যাপটি পাওয়া যাবে https://goo.gl/WNcQ1f ঠিকানায়।
www.prothom-alo.com
www.facebook.com/yousuf7181
Read More
12:33 AM 0

গবেষক রাগিব হাসান (বাঁয়ে) ও রাসিব খান তৈরি করেছেন ক্লাউড জ্যাকেটজ্যাকেটই যখন স্মার্ট

মেহেদী হাসান | আপডেট: | প্রিন্ট সংস্করণ
যুক্তরাষ্ট্রের আটলান্টায় গত জুনে গোটা বিশ্ব থেকে নতুন সব উদ্ভাবন নিয়ে কম্পিউটার বিজ্ঞানীরা এককাট্টা হয়েছিলেন। তাঁদের মধ্যে ছিলেন দুই বাংলাদেশি কম্পিউটার বিজ্ঞানী। ‘আইইইই কম্পস্যাক ২০১৬’ নামের সেই সম্মেলনে তাঁরা দুজন এক জ্যাকেট উপস্থাপন করেন, যা দিয়ে স্মার্ট যন্ত্রগুলোর কাজ সারা যাবে।
ইউনিভার্সিটি অব আলাবামা অ্যাট বার্মিংটনের কম্পিউটার ও তথ্যবিজ্ঞানের সহকারী অধ্যাপক রাগিব হাসানের তত্ত্বাবধানে ২০১২ সালে পিএইচডি গবেষণা শুরু করেন রাসিব খান। তাঁরা দুজনে মিলে কাজ শুরু করেন পরিধেয় প্রযুক্তি ক্লাউড জ্যাকেট নিয়ে। গবেষণা শেষে আইইইই কম্পস্যাক সম্মেলনের ৪০তম আসরে তাঁদের উদ্ভাবিত প্রযুক্তি উপস্থাপন করেন তাঁরা। সম্প্রতি পিএইচডি শেষ করে যুক্তরাষ্ট্রের নর্দান কেনটাকি ইউনিভার্সিটিতে সহকারী অধ্যাপক হিসেবে যোগ দিয়েছেন রাসিব খান।
রাগিব হাসানের সঙ্গে ই-মেইল ও মুঠোফোনে যোগাযোগ করে ক্লাউড জ্যাকেটের ব্যবহার সম্পর্কে ধারণা পাওয়া গেল। তিনি বললেন, ‘বর্তমানে আপনি যদি স্মার্টফোন, স্মার্টঘড়ি, স্মার্ট চশমা কিংবা স্পোর্টস ট্র্যাকার ব্যবহার করতে চান তবে আপনাকে আলাদাভাবে কিনতে হবে সব। তার চেয়ে বরং এমন কিছু ব্যবহার করা যেতে পারে, যা একই সঙ্গে বিভিন্ন ধরনের মোবাইল এবং পরিধেয় প্রযুক্তি সমর্থন করে। তখন এসব কিছুই স্বল্প খরচে পাওয়া সম্ভব।’
নিজেদের উদ্ভাবিত ক্লাউড জ্যাকেট দেখাচ্ছেন  রাগিব হাসানদিন যত গড়াচ্ছে, স্মার্টফোনে কাজের ধরন ততই জটিল হচ্ছে। বেশি শক্তির প্রসেসরের দরকার পড়ছে, র্যা ম বেশি লাগছে, অল্প মেমোরিতে এখন আর কাজ চলছে না। ফলে পুরোনো যন্ত্র এখন আর নতুন কাজের জন্য উপযুক্ত না। রাগিব হাসান ও রাসিব খান তাই স্মার্ট যন্ত্রের ‘স্মার্টনেস’ কমিয়ে বরং একক কোনো প্ল্যাটফর্ম তৈরিতে মনোযোগ দিয়েছেন। যার জন্য প্রয়োজন অনুযায়ী সফটওয়্যার তৈরি করবেন প্রোগ্রামাররা। উদাহরণটা এভাবে দেওয়া যেতে পারে, আইওএস নাকি অ্যান্ড্রয়েডচালিত স্মার্টফোন কিনবে, সে সিদ্ধান্তের চেয়ে বরং ক্লাউড কম্পিউটারের অপারেটিং সিস্টেম বদলে দিলেই পর্দায় সে কাজ সারা যাবে।
ক্লাউড জ্যাকেটের মূল অংশ দুটি—ডেটা প্রক্রিয়াকরণের জন্য ক্লাউড কম্পিউটার এবং কম্পিউটার নিয়ন্ত্রণ ও প্রক্রিয়াকরণ শেষে উপস্থাপনের জন্য টাচ স্ক্রিন। নমুনা তৈরিতে রাগিব হাসান ও রাসিব খান পুরোনো এক জ্যাকেটের সঙ্গে ১০টি ক্রেডিট কার্ড আকারের র্যা স্পবেরি পাই কম্পিউটার, একটি স্পর্শকাতর পর্দা এবং বিদ্যুতের উৎস হিসেবে তিনটি পাওয়ার ব্যাংক যোগ করেছেন।
ক্লাউড জ্যাকেটের র্যা স্পবেরি পাই কম্পিউটারগুলো ক্লাউড কম্পিউটার হিসেবে কাজ করবে। যে কাজ করতে হবে কিংবা মেমোরিতে যা সংরক্ষণ করা দরকার তা এই ক্লাউড কম্পিউটারে করা হবে। তারহীন ওয়াই–ফাই বা ব্লুটুথ সংযোগের মাধ্যমে যুক্ত পর্দা থেকে ক্লাউড কম্পিউটার নিয়ন্ত্রণ করা যাবে। কম্পিউটারগুলো একটি অন্যটির সঙ্গে যুক্ত হতে প্রাইভেট নেটওয়ার্ক ব্যবহার করছে, পাবলিক নেটওয়ার্ক না। ফলে হ্যাক হওয়ার আশঙ্কা কম।
রাসিব খান এ প্রসঙ্গে বলেন, ‘যে ক্লাউড কম্পিউটার আমরা সাধারণত ব্যবহার করি, আমাদের ক্লাউড জ্যাকেটের ধারণা অনেকটা তেমনই। আমাদের শুধু পাবলিক নেটওয়ার্কে যেতে হচ্ছে না।’
রাসিব খানের মতে, বর্তমানের স্মার্ট যন্ত্রগুলোর স্থান নেবে না ক্লাউড জ্যাকেট। বরং অবকাঠামোগত পরিবর্তন আনবে। নতুন নতুন কাজের জন্য স্মার্ট যন্ত্রের হালনাগাদ করার প্রয়োজনীয়তার ধারণা থেকে বের হয়ে বরং একই স্মার্টফোন ক্লাউড জ্যাকেটের প্রসেসিং ক্ষমতা এবং মেমোরি ব্যবহার করে অপেক্ষাকৃত বেশি শক্তি দরকার পড়ে এমন অ্যাপ চালাতে পারবে। কারণ স্মার্টফোন বড়জোর এক থেকে চার গিগাবাইটের র্যা মে সীমাবদ্ধ থাকছে। এদিকে তাঁদের তৈরি নমুণা জ্যাকেটে সব মিলিয়ে অন্তত ১০ গিগাবাইট র্যা ম আছে। স্টোরেজ ও প্রসেসরও বেশি।
হাইপার ক্লাউড
একজনের ক্লাউড জ্যাকেট যেখানে স্মার্টফোনের তুলনায় অনেক শক্তিশালী, সেখানে কয়েকজন যদি একই ধরনের জ্যাকেট পরে কাজ করেন তবে তৈরি হবে ‘হাইপারক্লাউড’। সাধারণ একটা উদাহরণ দেওয়া যেতে পারে। মনে করুন, মাঠে কোনো ক্রিকেট ম্যাচ চলছে। দর্শক সারির অনেকেই তাদের সাধারণ মানের স্মার্টফোন দিয়ে ভিডিও ধারণ করলেন। সবার সেই ভিডিও যদি এক করে প্রক্রিয়াজাত করা হয় তবে তবে ৩৬০ ডিগ্রি ভিডিও তৈরি সম্ভব। অথচ শক্তিশালী কিংবা দামি যন্ত্রের প্রয়োজন হচ্ছে না। তেমনই কোনো একক শক্তিশালী কম্পিউটারে কাজ না সেরে, বরং একাধিক ছোট ছোট কম্পিউটারের প্রসেসরের শক্তি এক করে বড় কাজ করা সম্ভব। হাইপারক্লাউডের ধারণা ঠিক তেমনই। মনে করুন ধ্বংসস্তূপ থেকে উদ্ধারকাজে সবার কাছে একই ধরনের তথ্য নাও থাকতে পারে। হয়তো একই ভবনের বিভিন্ন তলায় এবং ভিন্ন ভিন্ন স্থানে ভিন্ন ভিন্ন উদ্ধারকর্মী কাজে ব্যস্ত আছেন। তাঁদের সবার কাছে যদি একেকটি ক্লাউড জ্যাকেট থাকে তবে প্রত্যেকের কাছ থেকে তথ্য সংগ্রহ করে কেন্দ্রীয় কোনো সিস্টেমের মাধ্যমে সবার তথ্য সবার কাছে পৌঁছে দেওয়া যেতে পারে। আবার সবার ক্যামেরার মাধ্যমে ধারণ করা ভিডিও নিয়ে জায়গাটির ত্রিমাত্রিক মডেল তৈরি করা সম্ভব, যা উদ্ধারকাজে সাহায্য করবে।
তবে ক্লাউড জ্যাকেটের ধারণা একক কোনো কাজে সীমাবদ্ধ না রেখে নানারকম কাজে ব্যবহার করতে চান রাগিব ও রাসিব। এরই মধ্যে স্বাস্থ্য খাতের কথা ভাবছেন রাগিব হাসান।
রাগিব হাসানের বাড়ি জামালপুরে হলেও চট্টগ্রামে বেড়ে উঠেছেন। চট্টগ্রাম কলেজিয়েট স্কুল থেকে এসএসসি ও এইচএসসি পাস করেন। বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয় (বুয়েট) থেকে প্রথম স্থান অধিকার করায় পেয়েছিলেন বুয়েটের চ্যান্সেলর পুরস্কার এবং সিএসই বিভাগের স্বর্ণপদক। এরপর বুয়েটে শিক্ষক হিসেবে যোগ দেন। ইউনিভার্সিটি অব ইলিনয় থেকে স্নাতকোত্তর ও পিএইচডি শেষ করেন। অনলাইনে শেখার ওয়েবসাইট শিক্ষক ডটকমের প্রতিষ্ঠাতা তিনি। তাঁর উদ্যোগেই দৃষ্টিপ্রতিবন্ধী শিক্ষার্থীদের জন্য ব্রেইল প্রকল্পে কাজ করেন এক ঝাঁক স্বেচ্ছাসেবক। মুক্ত বিশ্বকোষ উইকিপিডিয়ার একজন ব্যুরোক্র্যাট তিনি।
২০০৮ সালে গাজীপুরের ইসলামিক ইউনিভার্সিটি অব টেকনোলজি (আইইউটি) থেকে স্নাতক করেন রাসিব খান। ইউরোপীয় ইউনিয়নের ইরাসমুস মুন্ডুস বৃত্তি পেয়ে ২০০৯ সালে একই সঙ্গে সুইডেনের স্টকহোমের রয়্যাল ইনস্টিটিউট অব টেকনোলজি (কেটিএইচ) এবং ফিনল্যান্ডের হেলসিংকির আলটো ইউনিভার্সিটি থেকে নিরাপত্তা এবং মোবাইল কম্পিউটিংয়ে স্নাতকোত্তর করেন। এরপর কিছুদিনের জন্য এরিকসন রিসার্চ এবং হেলসিংকি ইনস্টিটিউট ফর আইটিতে কাজ করেন। ২০১২ সালে যুক্তরাষ্ট্রের ইউনিভার্সিটি অব আলাবামাতে রাগিব হাসানের তত্ত্বাবধানে পিএইচডি গবেষণা শুরু করেন। সেখানেই দুজনের পরিচয় এবং দুজনে একসঙ্গে এই ক্লাউড জ্যাকেট নিয়ে কাজ শুরু করেন। রাসিব খান বলেন, ‘আমি ঘুরে বেড়াতে পছন্দ করি। নতুন নতুন মানুষের সঙ্গে যখন দেখা হয় তখন তাঁদের কাছ থেকে কাজের অনুপ্রেরণা পাই। একজন বাংলাদেশি হিসেবে সারা জীবন বিজ্ঞানে অবদান রেখে যেতে চাই।’
www.facebook.com/yousuf7181
Read More

Friday, March 4, 2016

11:19 PM 0



 SURAH- AL FATEHA - 1/114 www.facebook.com/yousuf7181

 









1. In the Name of Allâh, the Most Beneficent, the Most Merciful...

2. All the praises and thanks be to Allâh, the Lord of the 'Alamîn (mankind, jinns and all that exists)...

3. The Most Beneficent, the Most Merciful...

4. The Only Owner (and the Only Ruling Judge) of the Day of Recompense (i.e. the Day of Resurrection)...

5. You (Alone) we worship, and You (Alone) we ask for help (for each and everything)...

6. Guide us to the Straight Way...

7. The Way of those on whom You have bestowed Your Grace , not (the way) of those who earned Your Anger (such as the Jews), nor of those who went astray (such as the Christians)...






https://web.facebook.com/servent718
Read More

Post Top Ad